Software ছাড়া কি ভাবে দ্রুত গতিতে ফাইল Copy/Pest করবেন আপনার পিসিতে .

আজকে আপনাদের সাথে যে টিপসটি শেয়ার করব তাহল Software ছাড়া কি ভাবে দ্রুত গতিতে ফাইল Copy/Pest করবেন আপনার পিসিতে।

 

লেখার শুরুতে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই । আশা করছি সবাই খুব ভালো আছেন ।
তা  কথা না বাড়িয়ে আসুন কাজে চলে যাই।

 Software ছাড়া কি ভাবে দ্রুত গতিতে ফাইল Copy/Pest করবেন আপনার পিসিতে

উইন্ডোজ ৭ এর ৬ টি জনপ্রিয় কপি পেস্ট ক্লিপবোর্ড ( হিস্টোরি) সফটওয়্যার || সহজেই খুঁজে পাবেন কপি করা সব কিছু।

বর্তমান সময়ে প্রায় সবার কাছেই তার নিজের ব্যবহার এর জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আছে। ধরুন হঠাত টাইপ করতে করতে দেখলেন কিছু জায়গায় পরিবর্তন করা দরকার। ব্যস! কপি করে কেটে দিলেন লেখাটা । সমস্যা সেখানে না যদি অনেক গুলি লেখা কপি করে কেটে দেন এবং তা অন্য জায়গায় সেভ করে না রাখেন তখন মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়তে হবে। কেমন হয় যদি আপনার কাংখিত লেখা গুলি মুছে ফেলার পরেও কোন সফটওয়্যার এ তা সেভ হয়ে থাকে এবং আপনি সেখান থেকে খুব সহজেই আপনার লেখা আবার ফিরিয়ে আনতে পারেন।






copy_paste_history_recover

জি! উইন্ডোজ অপারেটিং ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই কিছু ফ্রি সফটওয়্যার এর সাহায্য তা করতে পারবেন। সেই সফটওয়ার কে বলে ক্লিপবোর্ড। আরে আরে , অ্যাপেল এর ম্যাক অপারেটিং ব্যবহারকারীরা মন খারাপ করবেন করবেন না। আপনাদের জন্যও পরবর্তী একটি পোষ্টে জানিয়ে দেব কিভাবে সহজে ক্লিপবোর্ড সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার কপি পেস্ট এর সকল হিস্টোরি উদ্ধার করতে পারবেন।


তো আসুন এক এক করে জেনে নেই উইন্ডোজ ৭ এর ৬ টি জনপ্রিয় কপি পেস্ট ক্লিপবোর্ড ( হিস্টোরি) সফটওয়্যার এর নাম এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন। 


এক নজরে দেখে নিন কোন ৬টি কপি পেস্ট হিস্টোরি সফটওয়্যার নিয়ে আলোচনা করব।


১। Clip Angel ক্লিপ এঞ্জেল 
২। Ditto দিত্য 
৩। ClipCube ক্লিপ কিউব 
৪। Clipboard Fusion ক্লিপবোর্ড ফিউশন 
৫। Save.me সেইভ.মি 
৬। Echo ইকো

১। Clip Angel ক্লিপ এঞ্জেল



প্রথমেই আমরা আলোচনা করবো Clip Angel ক্লিপ এঞ্জেল ক্লিপবোর্ড সফওয়্যার নিয়ে। এই ক্লিপবোর্ড সফওয়্যার টি নিঃসন্দেহে আপনার কপি করা হিস্টোরি উদ্ধারের জন্য খুবই ভাল একটি সফটওয়্যার। যখনি আপনি কিছু কপি করবেন (সেটা ছবি হোক বা টেক্সট) তখন এটি সব কিছু সেইভ করে রাখবে, পরবর্তীতে আপনি সেখান থেকে টেক্সট হিসাবে এবং লিংক হিসাবেও নিতে পারবেন। আপনি প্রতিটি কপি ফাইলের পাশে আলাদা ভাবে ছোট আইকন দেখতে পাবেন। সেই আইকন দেখে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোনটা ছবি আর কোনটা টেক্সট।

এর আর একটি সুবিধা হল আপনি প্রতিটা কপিকৃত ছবি বা টেক্সট এর একদম সঠিক ফোল্ডার দেখতে পারবেন, মানে ছবি বা টেক্সটি কোথা থেকে কপি করা হয়েছে তা জানতে পারবেন।

এখন, এইসব ছবি বা টেক্সট ফিরিয়ে আনার জন্য আপনাকে শুধু ডাবল ক্লিক করতে হবে। ডাবল ক্লিক করার সাথে সাথেই আপনার কাংখিত ছবি বা টেক্সটি ফোল্ডার আকারে সেইভ হয়ে যাবে।

২। Ditto দিত্য



আমাদের পরের সফটওয়্যারটি হল Ditto দিত্য ক্লিপবোর্ড, এটি অনেক ধরনের কপি হিস্টোরি ফাইল সাপোর্ট করে। এই সফটওয়ারটি একক ভাবে আপনার ফাইল গুলো সারিতে নিয়ে আসবে। এই সফটওয়্যারটি সেইসব ফাইলই সংরক্ষণ করে যা এটার সিস্টেমে থাকবে, যখনি আপনি ' Copy+Paste ' করবেন তখনি সেই ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই সফটওয়্যারে সেইভ হয়ে যাবে। যখন আপনি আপনার ফাইল উদ্ধার করবেন এটি আপনাকে আপনার কপিকৃত ফাইল গ্রুপ আকারে সেইভ করবে। 





এই সফটওয়্যার এর আর একটি ভাল দিক হল, এটি আপনাকে বিভিন্ন সিস্টেমে (কম্পিউটার) সেইভ করার সুবিধা দেবে। এর জন্য আপনাকে আপনার সিস্টেম (কম্পিউটার) এর তথ্য সফটওয়্যার এর Friends Tab থেকে এড করে নিতে হবে।

৩। ClipCube ক্লিপ কিউব


ক্লিপ কিউব সফটওয়্যার টি মূলত প্রোগ্রামিং এবং লেখা সাপোর্ট ভিত্তিক সফটওয়্যার। এই সফটওয়ার টিকে আরো আকর্ষনীয় করেছে কারণ এটায় আপনি আলাদা করে আপনার কপিকৃত হিস্টোরিকে বিভিন্ন ট্যাগ দিতে পারবেন তাই।



এই সফটওয়্যারে আপনি তিনটি অপশন পাবেন , ১। ক্লিপবোর্ড ২। লিংক্স আর স্ক্রাচপ্যাডস। এই ক্লিপবোর্ডে আপনি যখন যেই জিনিস কপি করবেন ঠিক সেইভাবে এটা সেইভ করে রাখবে। যদি লেখা কপি করেন তবে তা লেখা হিসাবে আর ছবি কপি করলে তা ইমেইজ হিসাবে। 

স্ক্র্যাচপ্যাড অপশন দিয়ে আপনি আপনি আপনার কপিকৃত সকল ডাটা আলাদা আলাদা ভাবে ট্যাগ দিয়ে রাখতে পারবেন। যা থেকে সহজেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কোনটা টেক্সট আর কোনটা ইমেইজ। 

ডাবল ক্লিক করেই আপনার ট্যাগকৃত সকল ডাটা আবার ফেরত পাবেন।

৪। Clipboard Fusion ক্লিপবোর্ড ফিউশন



Clipboard Fusion ক্লিপবোর্ড ফিউশন দুইভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। একটা হল ফ্রি আর একটা হল পেইড। ফ্রি ভার্সনে আপনি ৩০ দিনের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।


যদি আপনি এটার পেইড ভার্সন ব্যবহার করেন তবে, আপনি আপনার সকল ডাটা অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন পিসিতে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি প্রোগ্রামিং জানা লোক হন তবে এটার ম্যাক্রোস অপশন ব্যবহার করতে পারবেন।

৫। Save.me সেইভ.মি


Save.me সেইভ.মি সব থেকে সুন্দর একটি ফিচার হল এটা আপনাকে আপনার কপিকৃত সকল ডাটার একদম বিশদ বিবরণ দেখাবে। যেমন কোথা থেকে কপি হইছে, এটা কোন ফাইল , আপনি কিভাবে এটা কপি করেছেন এবং সেই ফাইলের সাইজ কত। 

এই ক্লিপবোর্ড টি নিঃসন্দেহে একটি বেস্ট সফটওয়্যার যদি আপনার সকল ডাটার তথ্য দেখতে চান। এই সফটওয়ারে সার্চ অপশন ব্যবহার করে আপনার কাংখিত ডাটা খুব সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন। 

আপনি খুব সহজেই আপনার ডাটা মেমোরি কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন।
৬। Echo ইকো



আমাদের একদম শেষের সফটওয়ার টি হল Echo ইকো। যদি আপনি শুধু আপনার লেখা গুলোর হিস্টোরিই পেতে চান তবে এই সফটওয়্যার টি ব্যবহার করতে পারেন।

এই সফটওয়ারের সার্চ অপশন দিয়ে আপনি সকল কিছু দেখতে পারবেন। আপনি আর জানতে পারবেন যে কখন আপনি কপি করেছিলেন। এবং কত বার কপি করেছেন।
শেষ কথা
পরিশেষে এটাই বলব যে আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞ্যানে অনলাইন থেকে খুঁজে খুঁজে আপনাদের জন্য কপিকৃত হিস্টোরি বের করার সেরা সফটওয়ার গুলই দিতে চেষ্টা করেছি।

আপনাদের কাছে যদি আর ভাল কিছু সফটওয়ার এর নাম থাকে তবে জানাতে ভুলবেন না।

কমেন্টস এ আপনাদের ভাল লাগা মন্দ লাগা জানাতে পারেন।

লেখা ভাল লাগলে শেয়ার দিতে পারেন আর খারাপ লাগলে তাও বলে দেবেন শুধরে নেব।

ফেসবুকের সিকিউরিটি বাড়ানোর উপায় | হ্যাক থেকে বাঁচবেন যেভাবে

ফেসবুক বর্তমান সময়ের একটি আলোচিত সোশ্যাল মিডিয়ার নাম। ছোট বড় থেকে শুরু করে প্রায় সবারি ফেসবুকে একটি একাউন্ট আছে। অনেকের জানার কমতির জন্য অনেক সময়ই দেখা যায় শখের ফেসবুক আইডিটি হ্যাক হয়ে যায়। অনেক সময় যেসব হ্যাকার এই সব কাজ করে তারা নানা রকম ভয় ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা পর্যন্ত হাতিয়ে নেয়।

তাই আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডির সিকিউরিটি বাড়াবেন এবং আইডি হ্যাক হওয়া থেকে সাধের আইডি রক্ষা করবেন। তো চলুন শুরু করা যাক ঃ

ফেসবুক কি কিভাবে একাউনট খুলবেন?

যারা নতুন আছেন এবং এখনো জানেন না যে ফেসবুক আসলে কি? বা কিভাবে একটি একাউন্ট খুলবেন?

ফেসবুক হল একটি যোগাযোগ মাধ্যম যা দিয়ে আপনি সহজেই আপনার বন্ধু বান্ধব সহ দেশ বিদেশের নানান মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। মার্ক জাঁকার বার্গ নামের একজন এই ফেসবুক নামের ওয়েব সাইটটির প্রতিষ্ঠাতা। এটি ব্যবহার করতে আপনাকে কোন টাকা দিতে হবে না তবে হ্যাঁ এর জন্য আপনার দরকার হবে একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ।

ফেসবুক নিয়ে আর কিছু টিপস আপনি পড়ে দেখতে পারেন।
          ⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇⬇


চলুন দেখে আসি কিভাবে খুব সহজেই আপনি ফেসবুকের একটি একাউন্ট খুলবেন । 

প্রথমেই এখানে ক্লিক করে >> ফেসবুকের ওয়েব সাইটে যেতে হবে ।  তারপর নিচের মত  একটি সাইট ওপেন হবে।
facebook_security



এরপর একটু ভালভাবে উপড়ের দিকে খেয়াল করলেই দেখতে পারবেন লেখা আছে ক্রিয়েট ইউর একাউন্ট । নিচে ধারাভিক ভাবে দিয়ে দিচ্ছি কিভাবে ওইসব খালি ঘর পুরন করবেন।


  • প্রথমেই দেখতে পাবেন লেখা আছে First Name এইখানে আপনার নামের প্রথম অংশটুকু দেবেন । যেমন আপনার নাম যদি হয় মোঃ ইমরান তবে ফার্স্ট নেম এর জায়গায় দেবেন মোঃ । এরপর আছে Surename এখানে দেবেন ইমরান। 


আপনাদের কে সতর্কতার জন্য জানিয়ে রাখা ভাল যে, সব সময় আপনার সঠিক নাম ব্যবহার করবেন তাহলে ভবিষ্যতে আইডি নিয়ে ঝামেলায় পরলে খুব সহজেই তা ফেরত পেয়ে যাবেন।


  • এরপর দেখতে পাবেন মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল এর একটি ঘর। অনেকেই ইমেইল আইডি না থাকার কারনে শুধু মোবাইল নাম্বার দিয়ে ফেসবুক খোলেন। এটা নিয়ে পরবর্তীতে ঝামেলায় পড়তে পারেন। কারণ ইমেইল আইডি দিয়ে একাউন্ট ওপেন করলে সেই আইডিটি অনেক সুরক্ষিত থাকে। যদি আপনি না জানেন যে কিভাবে একটি ইমেইল আইডি খুলবেন তবে এ নিয়ে একটি বিশদ লেখা লেখব। 



  • এরপর আছে পাসওয়ার্ড , এটি খুব সতর্কতার সাথে দেবেন। এমন কোন পাসওয়ার্ড দেবেন না যেটা খুব সহজেই অন্য কেউ জেনে যাবে। এর জন্য সব থেকে ভাল উপায় হল সর্বোনিন্ম ৮ সংখ্যার পাসওয়ার্ড দেয়া। যেখানে অক্ষর , নাম্বার এবং কিছু স্পেশাল ক্যারেক্টার দেবেন , যেমন @ ? # ।

  • এরপর আছে আপনার জন্ম দিন মাস এবং সালের ঘর। ভুলভাল তথ্য না দিয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।

  • এরপর আছে আপনার লিঙ্গ বেছে নেয়াড় অপশন। আপনি ছেলে হলে মেল এবং মেয়ে হলে ফিমেইল এ টিক দিয়ে দিন।
এরপর দেখতে পাবেন সবুজ একটি বাটনে লেখা আছে সাইন আপ । ব্যস! সাইন আপে ক্লিক করুন। এবার ফেসবুক আপনার মোবাইল/ইমেইল এ একটি কোড পাঠাবে সেটা কনফার্ম করলেই আপনার আইডি একদম প্রস্তুত ।

কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডিটির সুরুক্ষা নিশ্চিত করবেন?


একটি ফেসবুক আইডিতে আপনি আপনার ব্যক্তিগত অনেক কিছুই শেয়ার করবেন। কি হবে যদি সাধের আইডিটি কোন হ্যকার হ্যাক করে ফেলে? ভয় পাবেন না , খুব সহজেই আপনি আপনার আইডিটি ফেসবুকের নিজস্ব কিছু সিকিউরিটি অপশন দিয়ে সুরক্ষিত করতে পারবেন। আপনাদের সহজে বোঝার সুবিধার জন্য পুরো বিষয়টি আমি ভিডিও আকারে নিচে দিয়ে দিচ্ছি। আশা করছি ভিডিও দেখে সহজেই আপনি সব অপশন চালু করতে পারবেন। 

আর যদি কোন সমস্যা হয় তবে কমেন্টেস এ জানাবেন আমি সাহায্য করব। 





আমাদের লেখা যদি আপনাদের ভাল লেগে থাকে তবে শেয়ার দিয়ে দিন। আর নিত্য নতুন টিপস জানতে বা আপনাদের যে কোন সমস্যার কথা কমেন্টস এ জানিয়ে দিন। আমরা সমাধান দেবার চেষ্টা করব।

১ ক্লিক এ একটি youtube video series এর সকল video download করুন খুব সহজেই

আসসালামু আলাইকুম। Youtube থেকে video download করার system



আমরা সকলেই মোটামুটি জানি। কিন্তু আমি আজ বলব কিভাবে একটি video series এর সকল video ১ ক্লিক এ downlod করবেন।


ধরুন আপনি কোন একটা বিষয়ে tutorial search করছেন। এবার দেখলেন ওই video tutorial এর ১৫ টি পর্ব আছে। আপনি হয়ত একটা একটা করে সবগুল video download করবেন। এতে আপনার সময় অপচয় হবে। বরং  কেমন হয় যদি আপনি সকল video ১ ক্লিক এ download হয় ।
তো চলুন শুরু করা যাক।

১.  প্রথমেই এখান থেকে সফটওয়্যার টি Download করে নিন। এটার ভিতরে দুইটি file আছে। একটা সফটওয়্যার, অন্যটি Crack folder.
২. এবার সাধারনভাবে software টি install করুন।
৩. install করার পরে software টি launch করবেন না। এখানে একটি টিক চিহ্ন দেওয়া থাকবে। টিক চিহ্ন টি উঠিয়ে দিন।
৪. downloaded folder থেকে Crack folder এর ভিতরে Crack.exe তে double click করুন। তারপর Next button এ press করুন আর installed location দেখিয়ে দিন।
C:\Program Files (x86)\4KDownload\4kvideodownloader
ব্যাস। software installation শেষ। এবার চলুন দেখা যাক কিভাবে ১ ক্লিক এ ডাউনলোড করবেন সকল ভিডিও।
১. youtube এ গিয়ে যেকোনো একটা tutorial সার্চ দিন।
যেমন দেখেন আমি PHOTOSHOP BASIC Alimon Pitu লিখে Search দেওয়ার পর  ছবি তে দেখেন PHOTOSHOP BASIC এ 23 VIDEOS  এর একটি Video Seris আসছে 
এই series টি download করতে click করলাম।
ডান দিকে সকল video এর লিস্ট আর উপরে একটা link আছে।
২. Link টি copy করুন।
৩. তারপর 4k video player সফটওয়্যার টি open করুন। আর "Paste Link" এ ক্লিক করুন।
৪. "Download Playlist" এ ক্লিক করুন।
দেখুন সকল video parsing করা শুরু হয়েছে।
৫. parsing complete হলে Video Quality select করুন আর download button এ ক্লিক করুন।
এখুন সকল video download হওয়া শুরু হয়েছে।
আপনি চাইলে "Smart Mode" থেকেও Video downloaded location and video quality configure করে নিতে পারেন।
Post টি কেমন লাগলো comment করে জানাবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ্‌ হাফেজ 


আসুন দেখে নেই কি ভাবে Bootable ISO Image বানাবেন

আগে জেনে নেই ISO কি ?
ISO হচ্ছে ,মানে আমার জানা মতে Windows CD/DVD এর একটি ফাইল ফরমেট সিস্টেম
এই ISO দিয়ে আপনি Pen Drive Bootable করে সেটআপ দিতে পারবেন , এতে করে আপনার New Windows দিতে গেলে অনেক তারাতারি Setup হবে যা DVD থেকে দিতে গেলে অনেক টাইম লাগে ।


ISO Image বানাতে আপনার দরকার লাগবে Power ISO Software টি ,আর আপনার Windows 7/8/8.1/10 এর একটি ভালো DVD

 Software টি  নামিয়ে নিন এই লিংক  এই থেকে Download Here  

  আর যাদের আছে তাদের আর নামানোর দরকার নেই ।

তা চলুন কাজ শুরু করে দেই
প্রথমে আপনার আপনার Windows 7/8/8.1/10 এর DVD WR এ প্রবেশ কারন তারপর  
Power ISO Software টি ওপেন করুন

ওপেন করলে উপরের ছবির মতন আসবে

তারপর Tools>Make CD/DVD/Blu-ray Image File এ Click করুন  




 ক্লিক করলে নীচের ছবির মতো আসলে Source drive:  আপনার DVD RW Drive টি দেখিয়ে দিন 
আর Destination file : .iso এ কিল্ক করুন 
সব কিছু ঢিক থাকলে OK বাটনে ক্লিক করুন , আর ৫/৭ মিনিট অপেক্ষা করুন 

আর যারা  বুজতে পারেন নাই তারা নীচের Video Link এ ক্লিক করুন ওইখানে দেখানো হইছে যে কি ভাবে বানানো যায় । 


সব্বাইকে ধ্ননবাদ 

অনলাইন ইনকাম ! ভিউট্রাকার সাইট থেকে সহজেই আয় করুন ঘরে বসে।


Online-Income-From-Viewtrakr

VIEWTRAKR কী?
Viewtrakr একটি অনলাইন আর্নিং প্লাটফরম যেখানে ভিডিও প্রোমোট করার মাধ্যমে আয় করা যায়। মুভি, ট্রেইলার, গান, ফান ভিডিও, মিউজিক ভিডিও ইত্যাদি সকল ধরনের ভিডিও প্রোমোটিং ওয়েবসাইট হলো Viewtrakr । বিভিন্ন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তি তাদের নিজ নিজ ভিডিও প্রোমোট করে
সার্চ র‌্যাংকিং এ উপরে নিয়ে আসার জন্য এই ওয়েবসাইটের (Viewtrakr) কর্তৃপক্ষকে টাকা দিয়ে থাকে। Viewtrakr কর্তৃপক্ষ আবার টাকার সিংহভাগ প্রদান করে যারা এই প্রোমোটিং এর কাজে যুক্ত থাকে অর্থাৎ আমরা যারা Viewtrakr এর রেজিস্টার্ড মেম্বার।

এক্ষেত্রে Viewtrakr দলগত কাজকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে এবং কাজটি যাতে দলগতভাবেই সবাই সবাইকে সহযোগীতার মাধ্যমে সম্পাদন করে এরজন্য তারা ব্যবহার করে অত্যাধুনিক অনলাইন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সফটওয়্যার যেখানে প্রতারনা কোন সুযোগ নেই। যার মাধ্যামে প্রত্যোক রেজিস্টার্ড মেম্বার তার
এবং টিমের কাজের মূল্যায়ণ করতে পারবে প্রতি সেকেন্ডে। রয়েছে ভালো পারফর্মারদের জন্য পুরষ্কার ও বোনাসের ব্যবস্থা। আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, ইন্ডিয়া এমকি বাংলাদেশের ইন্টারনেট ইউজাররা এটাকে পার্টটাইম আয়ের উৎস হিসেবে এমনভাবে গ্রহন করেছে যা অবিশ্বাস্য। সুতরাং আপনি বা আমি যারা
শুধুমাত্র ফেসবুক চালাতে জানি তাদের পক্ষেও এখান থেকে ভালো আয় করা সম্ভব।

আমার কাজ কী?
আপনি দুই ভাবে এই কাজটি করতে পারেন। একটি হলো নিজে নিজে ভিডিও দেখে অথবা ভিউ করে যেমনটা আমরা ইউটউবে করে থাকি। তবে যেহেতু এটি একটি দলগত কাজ সোস্যাল মিডিয়া ও বন্ধুদেরকে কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরীর মাধ্যমে হিউজ পরিমান আয়ের সুযোগ পাবেন যা সত্যিই অবিশ্বাস্য।

কীভাবে করবেন?
প্রথমেই আপনাকে Viewtrakr ওয়েবসাইটে গিয়ে সাইন আপ করতে হবে। সাইন আপ করার জন্য এখানে এ ক্লিক করুন।

http://www.viewtrakr.com/hazi420
এখান থেকে Right side এ Accept Friend Request বাটনে ক্লিক করুন।


Online-Income-From-Viewtrakr


এরপর আপনার ই-মেইল এড্রেস, পাসওয়ার্ড (দুই বার), চেক বক্সে ক্লিক করে সাইন আপ বাটনে ক্লিক করুন। 


Online-Income-From-Viewtrakr


Online-Income-From-Viewtrakr

এরপর আপনার ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন মেইল যাবে এবং আপনি আপনার মেইল একাউন্টে গিয়ে Viewtrakr.com একাউন্টটি ভেরিফাই করে নিন। এরপর আপনি আপনার প্রোফাইলে গিয়ে প্রোফাইল ইনফরমেশন 100% সম্পূর্ণ করুন।


নেটওয়ার্ক তৈরীর পদ্ধতি  এবং বোনাসঃ
আপনি আপনার প্রোফাইলটি 100% সম্পূর্ন করার সময় একটি ইউনিক লিংক তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে আপনি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরী করতে পারবেন এবং তৈরী করার জন্য আপনি যে সুযোগ পাবেন হলো সমগ্র পৃথিবীর ইন্টারনেট ইউজার।


    আপনি আপনার প্রোফাইল থেকে আপনার লিংকে ক্লিক করুন এরপর নতুন পেইজ আসবে এখান থেকে Accept Friend Request বাটনে ক্লিক করে আপনি যেভাবে যেভাবে সাইন আপ করেছেন ঠিক একই ভাবে কাজটি সম্পাদন করবেন। এটি চাইলে আপনি করে দিতে পারেন অথবা আপনার ফ্রেন্ড নিজেও করতে পারে সেক্ষেত্রে আপনি তাকে আপনার ইউনিক লিংকটি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন অথবা রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন হোম মেনু থেকে।

পদবী ও বোনাসঃ
পদবী ও বোনাস সম্পর্কে জানার আগে সর্বপ্রথম যে বিষয়গুলো জানতে হবে তা হলো- প্রতি ভিডিও ভিউতে (ভিউ বলতে আপনি যখন My page মেনু থেকে কোন ভিডিও ক্লিক করে প্রিভিউ করবেন) রয়েছে 20 ওয়েবস্কোর, এখানে ওয়েবস্কোর হলো ভিউয়ের মানের একক। এভাবে করে 1000 ওয়েবস্কোর হলে আপনি পাবেন 1 সাইবারকয়েন এবং 5000 সাইবারকয়েনে এক ই-টিকেট। এক ই-টিকেট সমান $15-$50 ডলার এটা নির্ভর করতেছে ভিডিও কোম্পানিগুলো Viewtrakr কে তার ভিডিও প্রোমোটের জন্য যে টাকা প্রদান করবে তার উপর। যেহেতু এটি দলগত কাজ তাই আপনি অল্পকিছুদিন কষ্ট করে টিম বিল্ডআপ করলে সাইবার কয়েন নিয়ে আপনার আর ভাবতে হবে না এবং টিম বিল্ড আপ এর জন্য Viewtrakr দিচ্ছে আপনাকে সর্বোচ্চ বোনাস।

আপনি যখন আপনার প্রোফাইল 100% সম্পুর্ন করবেন এবং সেই সাথে একজন ফ্রেন্ডকে মেম্বার করাবেন, আপনি পাবেন 2500 সাইবার কয়েন এবং আপনার পদবি হবে Virtual.

আপনার পারসোনাল ভিউয়ের সংখ্যা যখন হবে 100 এবং Virtual ফ্রেইন্ডের সংখ্যা যখন হবে 5 জন তখন আপনার পদবি হবে Active. সেক্ষেত্রে আপনি পাবেন পারসোনাল 500 সাইবার কয়েন এবং 375 সাইবার কয়েন পাবেন লেভেল1 এর জন্য ও 250 সাইবারকয়েন পাবেন লেভেল 2 এর জন্য।

আপনার পারসোনাল ভিউয়ের সংখ্যা যখন হবে 1000 এবং Active ফ্রেইন্ডের সংখ্যা যখন হবে 5 জন তখন আপনার পদবি হবে V1. সেক্ষেত্রে আপনি পাবেন পারসোনাল 1000 সাইবার কয়েন এবং 750 সাইবার কয়েন পাবেন লেভেল1 এর জন্য ও 500 সাইবারকয়েন পাবেন লেভেল 2 এর জন্য।

আপনার পারসোনাল ভিউয়ের সংখ্যা যখন হবে 2000 এবং V1 ফ্রেইন্ডের সংখ্যা যখন হবে 5 জন তখন আপনার পদবি হবে V2. সেক্ষেত্রে আপনি পাবেন পারসোনাল 2000 সাইবার কয়েন এবং 1500 সাইবার কয়েন পাবেন লেভেল 1 এর জন্য ও 1000 সাইবারকয়েন পাবেন লেভেল2 এর জন্য।

আপনার পারসোনাল ভিউয়ের সংখ্যা যখন হবে 3000 এবং V2 ফ্রেইন্ডের সংখ্যা যখন হবে 5 জন তখন আপনার পদবি হবে V3. সেক্ষেত্রে আপনি পাবেন পারসোনাল 3000 সাইবার কয়েন এবং 2250 সাইবার কয়েন পাবেন লেভেল1 এর জন্য ও 1500 সাইবারকয়েন পাবেন লেভেল2 এর জন্য।

আপনার পারসোনাল ভিউয়ের সংখ্যা যখন হবে 5000 এবং V3 ফ্রেইন্ডের সংখ্যা যখন হবে 5 জন তখন আপনার পদবি হবে Alpha. সেক্ষেত্রে আপনি পাবেন পারসোনাল 10000 সাইবার কয়েন এবং 7500 সাইবার কয়েন পাবেন লেভেল1 এর জন্য ও 5000 সাইবারকয়েন পাবেন লেভেল 2 এর জন্য।

আপনার পারসোনাল ভিউয়ের সংখ্যা যখন হবে 10000 এবং Alpha ফ্রেইন্ডের সংখ্যা যখন হবে 5 জন তখন আপনার পদবি হবে Omega. সেক্ষেত্রে আপনি পাবেন পারসোনাল 40000 সাইবার কয়েন এবং 30000 সাইবার কয়েন পাবেন লেভেল1 এর জন্য ও 20000 সাইবারকয়েন পাবেন লেভেল 2 এর জন্য।

কীভাবে টাকা উত্তোলন করবেন ?
আমাদের দেশে অনলাইনে উপার্জনের টাকা উত্তোলন প্রধান বাধা কারন প্রত্যেকেরতো আর ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড নেই। তারপরও বেশ কিছু সুযোগ রয়েছে। তবে এই ওয়েবসাইট থেকে উপার্জনের টাকা উত্তোলনের জন্য Viewtrakr Master Card রয়েছে যার মাধ্যমে থেকে এদেশের এটিএম বুথ যেগুলো মাস্টার কার্ড সাপোর্ট করে সেগুলো থেকে টাকা সরাসরি উত্তোলন করা যাবে। সেক্ষেত্রে চার্জ অনেক বেশি পরে তাছাড়া Master Card অর্ডার দিতেও বেশ কিছু টাকা ব্যয় হয়। যার জন্য ভালো ইনকাম না করা পয়র্ন্ত Master card এর সুবিধা না নেয়াই ভালো। তবে উপার্জিত টাকা দিয়ে আপনি প্রায় 15+ টি পৃথিবীর টপ র‌্যাংকিং ই-কমার্স সাইট রয়েছে (যেগুলো আপনি আপনার একাউন্টের E-Bank এ
গেলে দেখতে পাবেন) সেখান থেকে আপনার প্রয়োজনীয় যাবতীয় জিনিস ক্রয় করতে পারবেন অতি সহজেই।



কিভাবে সকল ভিডিও দেখবেন তাড়াতাড়ি জানতে দেখুন ভিডিও টিউটোরিয়াল । শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে।

বিয়ে ! অতঃপর কিছু ভুল ধারনা।

বিয়ে ! অতঃপর কিছু ভুল ধারনা।

সংসার_সমাচার

প্রিয় আমার বোনেরা, আল্লাহ পাক আমাদের সামাজিক জীব এ পরিনত করেছেন। আমরা দল বেধে সমাজে বসবাস করি। সমাজের নিয়ম নীতি মেনে চলি। আর না চললে তাকে অসামাজিক বলে আখ্যা দেই।

            সমাজ কিন্তু পরিবার নিয়েই গড়ে ওঠে। পরিবারে মা -বা , ভাই - বোন, চাচা- চাচী, দুলাভাই- ভাবী আরো অনেকেই থাকতে পারে।
          ও আমার আপারা তোমার ঘরে একটা মেয়ে তোমার ভাইয়ের হাত ধরে আসে। কোন ভরসায়? শুধু আপনার ভাইয়ের ভরসায়? নাগো বোন, আপনার বাবা মা তথাপি আপনাদের পরিবারের সবার ভরসায়।
                 একটা মেয়ের যখন বিয়ে হয় তখন কাজী সাহেব স্পস্ট জানিয়ে দেন আমুক লোকের ছেলের সাথে তোমার বিয়ে দেয়া হচ্ছে। সেই মেয়েটি তখন থেকেই মনে মনে তার হবু শ্বশুর বাড়ি সম্পর্কে একটা ভাল/মন্দ ধারনা রাখে।

আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপট হয়ে গেছে শ্বশুড় বাড়ি , বদের হাড়ি :/

#শ্বশুড়_বাড়ি হুম।

      প্রিয় বোন শ্বশুড় বাড়ি কি সেটা যেখানে বিয়ে হওয়ার পরে আপনি স্বামীর হাত ধরে উঠবেন ? নাকি আপনার ভাইয়ের হাত ধরে যে মেয়ে আপনার পরিবারে উঠবে সেটা?
       ভেবেছেন? ভাবুন না একটু :/ 

     আমার মতে সবার পরিবারই একটা শ্বশুড় বাড়ি। যদি তাই হয় তাহলে তো শ্বশুড় বাড়ি খারাপ না। আপনি যদি আপনার মনের ভালবাসা দিয়ে আপনার নিজের পরিবার কে ভালবাসেন, তবে আপনার পরিবারে আসা সেই মেয়েটিকেও আগলে রাখুন পরম মমতায়,যত্নে । যেভাবে আগলে রাখেন আপনার নিজের পরিবার নামক শ্বশুড় বাড়ির সবাইকে। পরিবর্তনের শুরুটা আপনি করে দিন না। তাহলে তো আর শ্বশুড় বাড়ি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু থাকবে না।
               ভালবাসা তো এককেন্দ্রিক নয়। মানে আপনি যদি আপনার স্বামীকে ভালবাসেন তবে আপনার স্বামী যাকে/যাদের ভালবাসেন, স্নেহ করেন তাদের সবাইকেই আপনি ভালবাসবেন। তাহলেই পরিপুর্নতা পাবে আপনার ভালবাসা।

আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি বলাটা তখনই স্বার্থকতা পাবেন যখন আপনার মনের মানুষটির সকল কিছুকে ভালবাসবেন ।
  একবার ভাবুন তো আপনার ভাইয়ের বউটি যদি আপনাকে বোনের চোখে দেখেন, আপনার বাবা মাকে নিজের মায়ের মত সন্মান করতে পারে তবে আপনি কেন আপনার ভাবীকে অন্য ঘরের মেয়ে বলবেন?
    সামাজিক জীব হিসাবে সমাজকে টিকিয়ে রাখতে হলে আসুন না ঝেড়ে ফেলি সকল অসঙ্গতি কে :)
 

শুরুটা আপনি করুন না। কি , করবেন তো? 
             আমার এই লেখাটি শুধুমাত্র একজন মেয়েকে নিয়ে নয়। এই কথাগুলি সমান ভাবে একটি ছেলের জন্যও প্রযোজ্য। ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন। একজন মেয়ে বলতে আমি শাশুড়ী সহ সকল মাতৃস্থানীয় সবাইকে বুঝিয়েছি।
বিয়ে ! অতঃপর কিছু ভুল ধারনা।


আপনারাও আপনাদের সাথে ঘটে যাওয়া মজার মজার বা স্মরনীয় ঘটনা শেয়ার করতে পারেন।
লেখা পাঠাতে পারেন hazi420@gmail.com
যদি লেখাটা ভাল লেগে থাকে তবে শেয়ার করুন।

1Mobile Market Download গুগল প্লে স্টোরের বিকল্প ।

1Mobile Market Download

1Mobile Market Download গুগল প্লে স্টোরের বিকল্প । আজকের এই স্মার্টফোন এর দুনিয়ায় গুগল প্লে স্টোর এর নাম শোনেন নি এমন লোক খুজে পাওয়া দুস্কর। তাই আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম এমন একটি Android Apps যেটা দিয়ে খুব সহজেই প্লে স্টোরের এপ্লিকেশন এবং গেমগুলি ডাউনলোড করতে পারবেন।

1Mobile Market Apk এপসটি যারা আগে ব্যাবহার করেছেন তারা তো জানেনই । আর যারা জানেন না তাদের জন্য বলে রাখছি, কি কি করতে পারবেন? বা এই 1Mobile Market এর সুবিধা কি কি?


1Mobile Market Download সুবিধা সমূহ --

১ >> গুগল প্লে স্টোর থেকে কোন এপস বা গেমস ডাউনলোড করার আগে আপনার অবশ্যই একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। কিন্তু 1Mobile Market এর জন্য কোন জিমেইল একাউন্ট এর প্রয়োজন নেই। খুব সহজেই কোন ধরনের একাউন্ট তৈরী করা ছাড়াই এপস এবং গেমস ডাউনলোড করতে পারবেন।

২ >>  গুগল প্লে স্টোরের সব এপস এবং গেমস আপনি এই 1Mobile Market থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

৩ >> গুগল প্লে স্টোর চালাতে গেলে মাঝে মাঝে অনেক ধরনের সমস্যায় পরতে হয়, যা আমি আমার ব্যক্তিগত ভাবে চালাতে গিয়ে পরি নাই।

৪ >> গুগল প্লে স্টোর থেকে কোন এপস বা গেমস ডাউনলোড করলে তা কোন ভাবেই সেই এপস বা গেমসটি ব্যাকআপ থাকে না। মানে যদি কখন আমাদের মোবাইল ফোনটির মেমরি ফরম্যাট বা কোন কারনে ডিলেট করে ফেলি তবে পুনরায় আবার প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে চালাতে হবে।

    কিন্তু 1Mobile Market থেকে ডাউনলোডকৃত এপস বা গেমসটি একটি ফোল্ডারে সেভ হয়ে থাকে যা আমরা আনইন্সটল করে দিলেও পরে সেখান থেকে পুনরায় আবার ডাউনলোড করা ছাড়াও ইনস্টল করতে পারি।
  স্ক্রীনশর্ট
1Mobile Market Download



তবে আর দেরী কেন এখনি ডাউনলোড করে  ফেলুন ৮ মেগাবাইটের 1Mobile Market আর বিদায় জানান গুগল প্লে স্টোরের বিভিন্ন সমস্যা কে।

ডাউনলোড লিঙ্ক   1Mobile Market Apk Apps

যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তবে শেয়ার করে জানিয়ে দিতে ভুলবেন না।

Join Us

আমাদের নতুন নতুন পোষ্ট গুলো ই-মেইল এর মাধ্যমে পেতে রেজিষ্ট্রেশন করুন।